Welcome - MM IT SOFT

পাতা

ভৌগলিক পরিচিতি

 

রংপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকভাবে ঐতিহ্যবাহী জনপদ। বর্তমানে এই জেলা ১৫০৩' থেকে ২৬০০' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮৫৭' থেকে ৮৯৩২' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। রংপুর জেলার উত্তরে লালমনিরহাট, পূর্বে কুড়িগ্রাম, দক্ষিণ-পূর্বে গাইবান্ধা, উত্তর-পশ্চিমে নীলফামারী এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে দিনাজপুর জেলা অবস্থিত। তিস্তা নদী উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তকে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা থেকে পৃথক করেছে। রংপুর জেলার মোট আয়তন ২,৩৬৭.৮৪ বঃকিঃ। ৮টি উপজেলা, ৭৬টি ইউনিয়ন, ৩টি পৌরসভা ও ১২১৪টি মৌজা নিয়ে জেলাটি গঠিত।

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

অতীত ঐতির্হ ইতিহাসসমৃদ্ধ বাংলাদেমের জনপদগুলোর মধ্যে রংপুর অন্যতম। বর্তমান জেলা শহরের ব্যসত্মতা ও কলকাকলি থেকে তিন মাইল দক্ষিণে সত্মব্ধ ,নিঝুম,শামত্ম সমাহিত সবুজের সমারোহে সমুজ্জ্বল পরিবেশে আজও কারমাইকেল কলেজটি সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে এবং হাতছানি দিয়ে ডাকছে অগণিত ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষার্থী ,জ্ঞানপিপাসু ও পর্যটকদের। তৎকালীন স্থানীয় যে সমসত্ম হৃদয়বান, বিত্তবান ও জমিদারদেও সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল কারমাইকেল কলেজ জিএল রায় তাদের মধ্যে  ১৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ে একটি গঠন করা হয়। তৎকালীন  জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (আইসিএস) জনসাধারনের লক্ষে টাকা চাঁদা ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই ফেব্রুয়ারি তারিখে রংপুর শহরের দক্ক্ষে লালবাগ নামক জমিদার,টেপা ও কাকিলার জমিদার।

কারমাইকেল কলেজের নামকরণ নিয়ে অনেকেরই কৌতুহল রয়েছে ।আসলে কারমাইকেল একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁর জীবন বৃত্তামত্ম আলোচনা করলে দেখা যায় তিনি ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ই মার্চ এডিনবরায় জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বও মাসে তিনি মাদ্রাজের গভর্ণও হয়ে ভারতবর্ষে আসেন। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে বিহার ও উড়িষ্যা বাংলা হতে আলাদা হলে তিনি ঐ একই খ্রিষ্টাব্দের ১লা এপ্রিল বাংলার প্রথম গভর্ণও নিুযুক্ত হন। তিনি একজন জনগণ নন্দিত গভর্ণর হিসেবে তাঁরই ঐকামিত্মক প্রচেষ্টায় ঢাকায় পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী পাশ হয়। তাঁর পুরোনাম টমাস ডেভিড ব্যারণ কারমাইকেল। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কারমাইকেল কলেজের ভিত্তিপ্রসত্মর স্থাপন করেন এবং তাঁরই নামানুসাওে কলেজটির নামকরণ করা হয়। কলেজটির প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন ড. ওযাটকিনস। এ কলেজটির বিসত্মৃতি প্রায় ৯শ’ বিঘা জমি জুড়ে । এ কলেজটির মূল ইমারত ভবনটি স্থাপত্য শিল্পের এক অপরূপ প্রাণবমত্ম নির্দশন।বিশেষ করে ডুম বা গম্বুজের ব্যবহার, বিভিন্ন স্থাপত্যিক সৌকযৃ ও বৈশিষ্টাবলীর চমৎকার সন্নিবেশ যা স্বভাবতই দর্শক সাধারনের মন কেড়ে নেয়। ‘ডুম’ একটি ল্যাটিন শব্দ। ‘ডুমাস’ হতে ডুম শব্দটি এসেছে। ডুম বাংলা শাব্দিক অর্থ গম্বুজ এবং এর ব্যাপ্তিও হলো মর্যাদাসম্পন্ন গৃহ বা পবিত্র উপাসনালয়। ফলে ধর্মীয় স্থাপত্য ডুম বা গম্বুজ নির্মিত হয়েছে।স্থাপত্যের পরিভাষায় অর্ধ গোলাকৃতি ভল্ট গম্বুজ নামে পরিচিত। প্রাসাদ, হলঘর, অট্টালিকা কিংবা আরাধনালয়ের অভ্যমত্মওে ছাদে বেশি ফাঁপা স্থাপনের ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে গম্বুজের ব্যবহার এসেছে। বাইজানটাইন স্থাপতিদের উদ্ভাবিত পেনডেনটিভ এবং স্যাসানিয় স্থপতিদের  আবিস্কৃত স্কুইল তৈরি খুবই সহজ ছিল।

কিভাবে যাওয়া যায়:

রিক্সা,অটোরিক্সা, প্রাইভেট কার,মাইক্রোবাস সহযোগে যাওয়া যায়।