Speech

কারমাইকেল কলেজের নামকরণ নিয়ে অনেকেরই কৌতুহল রয়েছে ।আসলে কারমাইকেল একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁর জীবন বৃত্তামত্ম আলোচনা করলে দেখা যায় তিনি ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ই মার্চ এডিনবরায় জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বও মাসে তিনি মাদ্রাজের গভর্ণও হয়ে ভারতবর্ষে আসেন। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে বিহার ও উড়িষ্যা বাংলা হতে আলাদা হলে তিনি ঐ একই খ্রিষ্টাব্দের ১লা এপ্রিল বাংলার প্রথম গভর্ণও নিুযুক্ত হন। তিনি একজন জনগণ নন্দিত গভর্ণর হিসেবে তাঁরই ঐকামিত্মক প্রচেষ্টায় ঢাকায় পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী পাশ হয়। তাঁর পুরোনাম টমাস ডেভিড ব্যারণ কারমাইকেল। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কারমাইকেল কলেজের ভিত্তিপ্রসত্মর স্থাপন করেন এবং তাঁরই নামানুসাওে কলেজটির নামকরণ করা হয়। কলেজটির প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন ড. ওযাটকিনস। এ কলেজটির বিসত্মৃতি প্রায় ৯শ’ বিঘা জমি জুড়ে । এ কলেজটির মূল ইমারত ভবনটি স্থাপত্য শিল্পের এক অপরূপ প্রাণবমত্ম নির্দশন।বিশেষ করে ডুম বা গম্বুজের ব্যবহার, বিভিন্ন স্থাপত্যিক সৌকযৃ ও বৈশিষ্টাবলীর চমৎকার সন্নিবেশ যা স্বভাবতই দর্শক সাধারনের মন কেড়ে নেয়। ‘ডুম’ একটি ল্যাটিন শব্দ। ‘ডুমাস’ হতে ডুম শব্দটি এসেছে। ডুম বাংলা শাব্দিক অর্থ গম্বুজ এবং এর ব্যাপ্তিও হলো মর্যাদাসম্পন্ন গৃহ বা পবিত্র উপাসনালয়। ফলে ধর্মীয় স্থাপত্য ডুম বা গম্বুজ নির্মিত হয়েছে।স্থাপত্যের পরিভাষায় অর্ধ গোলাকৃতি ভল্ট গম্বুজ নামে পরিচিত। প্রাসাদ, হলঘর, অট্টালিকা কিংবা আরাধনালয়ের অভ্যমত্মওে ছাদে বেশি ফাঁপা স্থাপনের ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে গম্বুজের ব্যবহার এসেছে। বাইজানটাইন স্থাপতিদের উদ্ভাবিত পেনডেনটিভ এবং স্যাসানিয় স্থপতিদের  আবিস্কৃত স্কুইল তৈরি খুবই সহজ ছিল।