Important Notice

Welcome To BRTA Draveing School

Think Digital be Digital

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

অতীত ঐতির্হ ইতিহাসসমৃদ্ধ বাংলাদেমের জনপদগুলোর মধ্যে রংপুর অন্যতম। বর্তমান জেলা শহরের ব্যসত্মতা ও কলকাকলি থেকে তিন মাইল দক্ষিণে সত্মব্ধ ,নিঝুম,শামত্ম সমাহিত সবুজের সমারোহে সমুজ্জ্বল পরিবেশে আজও কারমাইকেল কলেজটি সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে এবং হাতছানি দিয়ে ডাকছে অগণিত ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষার্থী ,জ্ঞানপিপাসু ও পর্যটকদের। তৎকালীন স্থানীয় যে সমসত্ম হৃদয়বান, বিত্তবান ও জমিদারদেও সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল কারমাইকেল কলেজ জিএল রায় তাদের মধ্যে  ১৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ে একটি গঠন করা হয়। তৎকালীন  জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (আইসিএস) জনসাধারনের লক্ষে টাকা চাঁদা ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই ফেব্রুয়ারি তারিখে রংপুর শহরের দক্ক্ষে লালবাগ নামক জমিদার,টেপা ও কাকিলার জমিদার।

কারমাইকেল কলেজের নামকরণ নিয়ে অনেকেরই কৌতুহল রয়েছে ।আসলে কারমাইকেল একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁর জীবন বৃত্তামত্ম আলোচনা করলে দেখা যায় তিনি ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ই মার্চ এডিনবরায় জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বও মাসে তিনি মাদ্রাজের গভর্ণও হয়ে ভারতবর্ষে আসেন। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে বিহার ও উড়িষ্যা বাংলা হতে আলাদা হলে তিনি ঐ একই খ্রিষ্টাব্দের ১লা এপ্রিল বাংলার প্রথম গভর্ণও নিুযুক্ত হন। তিনি একজন জনগণ নন্দিত গভর্ণর হিসেবে তাঁরই ঐকামিত্মক প্রচেষ্টায় ঢাকায় পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী পাশ হয়। তাঁর পুরোনাম টমাস ডেভিড ব্যারণ কারমাইকেল। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কারমাইকেল কলেজের ভিত্তিপ্রসত্মর স্থাপন করেন এবং তাঁরই নামানুসাওে কলেজটির নামকরণ করা হয়। কলেজটির প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন ড. ওযাটকিনস। এ কলেজটির বিসত্মৃতি প্রায় ৯শ’ বিঘা জমি জুড়ে । এ কলেজটির মূল ইমারত ভবনটি স্থাপত্য শিল্পের এক অপরূপ প্রাণবমত্ম নির্দশন।বিশেষ করে ডুম বা গম্বুজের ব্যবহার, বিভিন্ন স্থাপত্যিক সৌকযৃ ও বৈশিষ্টাবলীর চমৎকার সন্নিবেশ যা স্বভাবতই দর্শক সাধারনের মন কেড়ে নেয়। ‘ডুম’ একটি ল্যাটিন শব্দ। ‘ডুমাস’ হতে ডুম শব্দটি এসেছে। ডুম বাংলা শাব্দিক অর্থ গম্বুজ এবং এর ব্যাপ্তিও হলো মর্যাদাসম্পন্ন গৃহ বা পবিত্র উপাসনালয়। ফলে ধর্মীয় স্থাপত্য ডুম বা গম্বুজ নির্মিত হয়েছে।স্থাপত্যের পরিভাষায় অর্ধ গোলাকৃতি ভল্ট গম্বুজ নামে পরিচিত। প্রাসাদ, হলঘর, অট্টালিকা কিংবা আরাধনালয়ের অভ্যমত্মওে ছাদে বেশি ফাঁপা স্থাপনের ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে গম্বুজের ব্যবহার এসেছে। বাইজানটাইন স্থাপতিদের উদ্ভাবিত পেনডেনটিভ এবং স্যাসানিয় স্থপতিদের  আবিস্কৃত স্কুইল তৈরি খুবই সহজ ছিল।

কিভাবে যাওয়া যায়:

রিক্সা,অটোরিক্সা, প্রাইভেট কার,মাইক্রোবাস সহযোগে যাওয়া যায়।

 

Principal

 

Why Choose BRTA Draveing School?

লোক সাহিত্য ও সংস্কৃতি: (রংপুর জেলার আঞ্চলিক ভাষার উদাহরণ)

 

লোক সাহিত্য ও লোক সংস্কৃতিতে রংপুরের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আর এসব কর্মকান্ড সম্পাদিত হয়েছে রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায়। আঞ্চলিকতার দিক দিয়ে ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালীর বিপরীত প্রান্তের লোকসঙ্গীত। ভাওয়াইয়া রংপুরের লোকসঙ্গীত ধারায় সর্বাপেক্ষা উজ্জবল ও সমৃদ্ধ শাখা। ভাওয়াইয়া সম্রাট আববাস উদ্দীন ১৯৫৪ সালে ভাওয়াইয়াকে বিশ্বদরবারে উপস্থাপিত করেন। ভাওয়াইয়া লোকসঙ্গীতের ধারায় এই অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদের বিভিন্ন পেশার মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, প্রেম-ভালোবাসা, বিরহ-বেদনাকে আশ্রয় করে লোকের মুখে মুখে রচিত এবং বিপুল আবেদনময় সুরে বাঁশি ও দোতরার মতো বাদ্যযন্ত্র যোগে গীত হয়ে আসছে।

আঞ্চলিক নামানুসারে ভাওয়াইয়া ৫টি ধারায় বিভক্ত, ‘ভাব’ ‘ভাওয়া’, ‘বাওয়া’, ‘বাউদিয়া’ প্রভৃতি শব্দ হতে ভাওয়াইয়া শব্দের উৎপত্তি বলে গবেষকরা মতামত ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্যযোগ্য জনপ্রিয় ভাওয়াইয়া-

1.ওকি গাড়িয়াল ভাই

2.কি ও কাজল ভোমরা

3.তোরসা নদীর ধারে ধারে

4.নাইওর ছাড়িয়া যেও মোর বন্ধু

5.নদী না যাই ওরে বৈদ

6.ফাঁন্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে।

 

 

Our Teachers